স্বপ্ন দেখেন একদিন বড় কিছু জিততে? nbajj লটারিতে সেই সুযোগ প্রতিদিনই আসে। মাত্র কয়েক টাকার টিকেট কিনে লক্ষ থেকে কোটি টাকার পুরস্কার জেতার সুযোগ পান। ড্র সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও যাচাইযোগ্য।
লটারি নিয়ে অনেকের মনেই একটা ভুল ধারণা আছে – মনে হয় এটা শুধু ভাগ্যের খেলা এবং জেতার সম্ভাবনা প্রায় শূন্য। কিন্তু nbajj-এর লটারি ব্যবস্থা একটু ভিন্ন। এখানে ছোট-বড় পুরস্কারের অনেক স্তর আছে, তাই জেতার সুযোগ অনেক বেশি।
প্রতিটি লটারি ড্র সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় এবং যাচাইযোগ্য RNG (Random Number Generator) প্রযুক্তিতে পরিচালিত হয়। ড্র শেষ হওয়ার সাথে সাথে ফলাফল প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত হয় এবং বিজয়ীদের অ্যাকাউন্টে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টাকা জমা হয়। কোনো দাবি করার ঝামেলা নেই।
nbajj-এ দৈনিক ড্র, সাপ্তাহিক মেগা ড্র এবং মাসিক কোটিপতি ড্র সহ বিভিন্ন ধরনের লটারি রয়েছে। প্রতিটির টিকেটের দাম, পুরস্কারের পরিমাণ এবং ড্রের সময় আলাদা। আপনি একাধিক টিকেট কিনে জেতার সম্ভাবনা বাড়াতে পারেন।
আপনার পছন্দ ও বাজেট অনুযায়ী লটারি বেছে নিন
প্রতিদিন তিনটি ড্র। সকাল, দুপুর ও রাতে। যেকোনো সময় টিকেট কিনে ড্রে অংশ নিন।
প্রতি শুক্রবার রাত ৯টায় মেগা ড্র। বড় পুরস্কার জেতার সেরা সুযোগ।
মাসের শেষ দিন মহা ড্র। প্রথম পুরস্কার এক কোটি টাকা। স্বপ্ন বাস্তব হওয়ার মাস।
কিনলেই জানবেন জিতেছেন কিনা। স্ক্র্যাচ কার্ডের মতো তাৎক্ষণিক ফলাফল।
nbajj অ্যাকাউন্টে লগইন করুন। নতুন হলে বিনামূল্যে নিবন্ধন করুন – মাত্র ২ মিনিট সময় লাগে।
ডেইলি, উইকলি, মান্থলি বা ইনস্ট্যান্ট – আপনার পছন্দের লটারি সিলেক্ট করুন।
নিজে নম্বর বেছে নিন অথবা "Quick Pick" দিয়ে র্যান্ডম নম্বর নিন। একাধিক টিকেটও কিনতে পারেন।
বিকাশ, নগদ, রকেট বা ব্যালেন্স দিয়ে টিকেটের মূল্য পরিশোধ করুন।
নির্ধারিত সময়ে ড্র হবে। জিতলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যালেন্সে টাকা যোগ হবে এবং SMS পাবেন।
ড্র শুরু হওয়ার ৩০ মিনিট আগে টিকেট বিক্রি বন্ধ হয়। তাই সময়মতো টিকেট কিনুন। ড্রের সময় লাইভ দেখতে পাবেন প্ল্যাটফর্মে।
পুরস্কার স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার nbajj ব্যালেন্সে যোগ হয়। সেখান থেকে সরাসরি বিকাশ বা নগদে উইথড্রয়াল করুন। আলাদা দাবি করতে হয় না।
প্রতিটি ড্র তৃতীয় পক্ষ দ্বারা যাচাইকৃত Provably Fair RNG সিস্টেমে পরিচালিত। ড্রের পরে ফলাফলের হ্যাশ যাচাই করা যায়।
| পুরস্কার স্তর | মিলিত নম্বর | পুরস্কার | বিজয়ীর সংখ্যা (গড়) |
|---|---|---|---|
| ১ম পুরস্কার | ৬/৬ নম্বর মিলেছে | ৳৫০,০০,০০০ | ১ জন |
| ২য় পুরস্কার | ৫/৬ নম্বর মিলেছে | ৳৫,০০,০০০ | ৫-১০ জন |
| ৩য় পুরস্কার | ৪/৬ নম্বর মিলেছে | ৳৫০,০০০ | ৫০-১০০ জন |
| ৪র্থ পুরস্কার | ৩/৬ নম্বর মিলেছে | ৳৫,০০০ | ৫০০-১০০০ জন |
| ৫ম পুরস্কার | ২/৬ নম্বর মিলেছে | ৳৫০০ | ৫,০০০+ জন |
| সান্ত্বনা পুরস্কার | বোনাস বল মিলেছে | ৳১০০ | ১০,০০০+ জন |
* পুরস্কারের পরিমাণ মোট টিকেট বিক্রির উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে। রোলওভার জ্যাকপটে পরিমাণ আরও বাড়ে।
অনেকেই জিজ্ঞেস করেন, বাজারে তো অনেক লটারি আছে, nbajj-এ কেন খেলব? প্রশ্নটা যুক্তিসঙ্গত। সৎভাবে বলতে গেলে – nbajj-এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো স্বচ্ছতা আর সুবিধাজনক পেমেন্ট সিস্টেম।
বাংলাদেশে অনেক অনলাইন লটারি প্ল্যাটফর্ম আছে যেখানে পুরস্কার পাওয়ার পরেও টাকা তুলতে গেলে নানা ঝামেলা হয়। nbajj-এ সেই সমস্যা নেই। জিতলে সেই দিনেই বিকাশে টাকা পাবেন।
আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো – nbajj-এ টিকেটের দাম মাত্র ১০ টাকা থেকে শুরু। মানে দৈনিক চা খাওয়ার খরচে একটা লটারি টিকেট কেনা যায়। ঝুঁকি কম, কিন্তু পুরস্কার বড়। এই সমীকরণটাই nbajj লটারিকে জনপ্রিয় করে তুলেছে।
এই সপ্তাহে nbajj লটারিতে যারা বড় পুরস্কার জিতেছেন
রাজশাহী | উইকলি মেগা ড্র
চট্টগ্রাম | মান্থলি কোটিপতি
ঢাকা | ডেইলি ড্র
সিলেট | ইনস্ট্যান্ট উইন
খুলনা | উইকলি মেগা ড্র
বরিশাল | ডেইলি ড্র
লটারি নিয়ে একটা সৎ কথা বলা দরকার। এটা সম্পূর্ণ ভাগ্যের খেলা – কোনো কৌশল বা দক্ষতায় নম্বর মেলানো সম্ভব নয়। তাই যতটুকু হারালেও সমস্যা হবে না, ততটুকুই খরচ করুন। এটাকে বিনোদনের একটা সস্তা উপায় হিসেবে দেখুন, বিনিয়োগ হিসেবে নয়।
তবে কিছু বিষয় আপনার অভিজ্ঞতাকে আরও ভালো করতে পারে। একাধিক ছোট টিকেট কেনার চেয়ে কম টিকেট কিনে বড় ড্রতে অংশ নিলে জেতার পরিমাণ বেশি হয়। সাপ্তাহিক ড্রে নিয়মিত অংশ নিলে জেতার সুযোগও বাড়ে।
nbajj-এ অটো-সাবস্ক্রিপশন ফিচার রয়েছে, যেখানে প্রতি সপ্তাহে আপনার পছন্দের নম্বর দিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টিকেট কেনা হয়। এতে কোনো ড্র মিস হওয়ার ভয় থাকে না। অনেক দীর্ঘমেয়াদী খেলোয়াড় এই ফিচার পছন্দ করেন।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ – দায়িত্বশীলভাবে খেলুন। nbajj-এ দৈনিক ব্যয়ের সীমা নির্ধারণ করার অপশন আছে। নিজের জন্য একটা বাজেট ঠিক করুন এবং তা মেনে চলুন।
nbajj সবসময় দায়িত্বশীল খেলাকে সমর্থন করে। আপনার খেলার সীমা নির্ধারণ করুন।
আরও জানুন →যে প্রশ্নগুলো সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞেস করা হয়